Categories
দেশ হোম

ভারতে জিও কোম্পানি আসার পিছনে কার হাত দেখে নিন

জিও কর্ণধার মুকেশ আম্বানি

জিও হল একটি ভারতীয় মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ভয়েস কল  প্রদানকারী সংস্থা। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের মালিকানাধীন এবং এর সদর দপ্তর মহারাষ্ট্রের মুম্বই শহরে। এটি দেশের ২২ টি টেলিকম অঞ্চল জুড়ে একটি জাতীয় এলটিই নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে। জিও ২জি বা ৩জি পরিষেবা প্রদান করে না, তার পরিবর্ত হিসাবে ভয়েস কল এর জন্য এলটিই ব্যবহার করে থাকে ।

টেলিকম জগতের বর্তমানে সবচেয়ে লাভ জনক প্রতিষ্ঠান হল জিও কোম্পানি।টেলিকম জগতে জিও আসার পিছনে অন্য কেউ নয়। মেয়ে ঈশা আম্বানি আর ছেলে আকাশ অম্বানীর কথাতেই জিও-র ব্যবসা শুরু করার কথা মাথায় এসেছিলো রিলায়েন্স কর্ণধার মুকেশ অম্বানী। লন্ডনের একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক পুরস্কার মঞ্চেই এই রহস্য ফাঁস করেছেন স্বয়ং মুকেশ আম্বানি।

মুকেশ জানিয়েছেন, মোবাইল এবং টেলি কমিউনিকেশন ব্যবসায় পা দেওয়ার ভাবনা ২০১0 সালে তাঁর মাথায় আসে। সেই সময়ে আমেরিকার ইয়েল ইউনিভার্সিটিতে পাঠরত ঈশা ছুটিতে কয়েকদিনের জন্য বাড়িতে আসেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রজেক্ট নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। ইন্টারনেট স্পিড কম থাকার জন্য প্রজেক্টের কাজ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন ঈশা। তখন ঈশা সেই কথা জানান তার বাবা মুকেশকে। তখনই একটু একটু করে টেলিকম ব্যবসার চিন্তা ভাবনা দানা বাঁধতে শুরু করে।

মুকেশ জানিয়েছেন, বিষয়টি জানতে পেরে ছেলে আকাশও তাঁকে বলেন, ভবিষ্যতে ডিজিটাল যুগ অপেক্ষা করছে। সব কাজই হবে ডিজিটাল প্রযুক্তির সাহায্যে। তখন ইন্টারনেটের চাহিদা ব্যাপক হারে বেড়ে যাবে ।  আকাশ তাঁকে আরও দেখান, শুধুমাত্র ফোনে কথা বলার জন্যই বিভিন্ন সংস্থা কীভাবে গ্রাহকদের থেকে মোটা অংকের টাকা নিচ্ছে। এর পরেই বাবাকে মোবাইল পরিষেবার ব্যবসায় নামার অনুরোধ করেন আকাশ নিজেই ।

মুকেশ আরও বলেন যে, সেই সময়ে এমন পরিস্থিতি ছিল, গোটা দেশে ইন্টারনেট পরিষেবার মান অত্যন্ত খারাপ অবস্থা ছিল। নতুবা মোবাইল ইন্টারনেট ডেটার মাশুল এতটাই চড়া ছিল যে, অধিকাংশ মানুষের পক্ষেই সেই খরচ বহন করা সম্ভব ছিল না। সেই কারণেই গোটা দেশে সস্তায় ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ তারিখে সর্বজনীনভাবে জিও পরিষেবা চালু করা হয়। এর পরেই ভারতের মোবাইল পরিষেবা ব্যবসায় আমূল বদল আসে। শুরু হয় সস্তায় পরিষেবা দেওয়ার তুমুল লড়াই।জিও ছাড়া অন্যান্য কোম্পানিগুলোর  বাজার কমতে থাকে । এখন দেশের 90 শতাংশ মানুষ জিও ব্যাবহার করছে ।

Categories
আন্তজার্তিক হোম

করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা 50000 এর মাইল ফলক ছুঁয়ে ফেললো আমেরিকা

আমেরিকা রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প

করোনভাইরাস :-চীনের ইউহান থেকে করোনা ভাইরাস উৎপত্তি লাভ করলেও বর্তমানে চিনে করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রনের মধ্যে রয়েছে। কিন্তু এই ভাইরাস কয়েকটি দেশকে শ্মশান পুরিতে পরিণত করেছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো আমেরিকা। এই করোনা ভাইরাসে সবথেকে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হলো আমেরিকা। বিশ্ব স্বাস্থ্য রিপোর্ট অনুযায়ী আমেরিকায় করোনাভাইরাস কেস গত 24 ঘন্টার মধ্যে 1997 টি নতুন সংক্রামিত নিয়ে 886426 এ পৌঁছেছে । এখনও পর্যন্ত আমেরিকায়  এই রোগে 50226 জন মারা গেছেন।আমেরিকার মধ্যে সব থেকে বেশি করোনাভাইরাস এ আক্রান্ত রাজ্য হলো নিউইয়ার্ক, যার আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় 258581 জন এবং মৃতের সংখ্যা 20861 জন । আমেরিকাতে করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ হয়েছে প্রায় 85966 জন ।

বিশ্বব্যাপী, মৃতের সংখ্যা 191047 ছাড়িয়ে গেছে এবং এই রোগ থেকে মুক্তি পেয়েছে প্রায় 278,428 । সর্বমোট সংক্রমণের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে 2725035 । আমেরিকা যুক্তরাষ্ট (করোনা আক্রান্ত- 886426, মৃতের সংখ্যা-50226) ছাড়াও স্পেন, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি, ইংল্যান্ড, তুর্কি, ইরান, চীনা প্রমুখ দেশ ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ।

Categories
দেশ রাজ্য হোম

বাংলায় লকডাউন ঠিক ভাবে মানছেনা মমতা সরকার :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মমতা ব্যানার্জী এবং অমিত শাহ

নয়াদিল্লি : পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসরকার লকডাউন চলাকালীন করোনার মোকাবিলায় যথেষ্ট কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে না । রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় লকডাউনের মতো পরিস্থিতিতেও নিয়ম কানুন মানা হচ্ছে না। ফলে করোনা মোকাবিলায় বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। এমনই এক  অভিযোগ জানিয়ে মমতা সরকারকে চিঠি দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।গত শনিবার রাজ্য প্রশাসনের কাছে এক চিঠি এসে পৌঁছয়।এই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে এই লকডাউনের মতো পরিস্থিতে রাজ্যের বহু জায়গায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে যে সকল ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন ছিল তা অনেকাংশে নেওয়া হয়নি।

বাংলার বিভিন্ন জায়গায় যেমন  নারকেলডাঙ্গা, তোপসিয়া,রাজাবাজার,মেটিয়াবুরুজের মতো এলাকায় লকডাউন বা সোশ্যাল ডিসট্যান্স কোনওভাবেই মেনে চলা হয়নি। ইচ্ছামত রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে জামায়েত হয়েছে । এই রকম কঠিন পরিস্তিতিতে রাজ্য পুলিশ প্রশাসন কীভাবে নির্বিকার ছিল, সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে চিঠিতে। অন্যদিকে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার উদ্দেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা রেশন বিলির নামে ব্যাপক জমায়েতর সৃষ্টি  করছেন, তা একেবারেই সমর্থনযোগ্য নয় বলে আশঙ্কা করছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন, যে মুখ্যমন্ত্রী যেন গোটা বিষয়টি পর্যালোচনা করে নজরদারি বাড়াক এবং গোটা বিষয়টির ওপর কড়া পদক্ষেপ নিক। এদিকে, রাজস্থানের ভিলওয়াড়া মডেলের পথে হেঁটে গোটা রাজ্যকেই সিল করার কথা ভাবছে প্রশাসন।

ইতিমধ্যে  সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যের সাতটি জেলায়  ৯-১০টি জায়গা হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত করার কথা জানান মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা।যদিও তিনি নিজে মুখে কোনও জায়গার নাম উল্লেখ করেননি। তবে সূত্রের খবর দমদম, সল্টলেকের বেশ কিছু জায়গা, উত্তর ২৪ পরগনার বেশ কিছু অংশ হলদিয়া , কালিম্পং, পূর্ব মেদিনীপুরের ও হাওড়া সম্পূর্ণ লকডাউনের কথা ভাবা হচ্ছে। মুখ্যসচিব আরও জানান, হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত করে সূত্রের খবর রাজ্যের সাতটি জেলায় বেশ কিছু হটস্পট চিহ্নিত করা হয়েছে।নির্দিষ্ট ভাবে কোন এলাকা এই তালিকায় আসতে চলেছে, তা আগে থেকে বলা যাচ্ছে না।জরুরি পরিষেবা ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ছাড়া আর কেউ বা কোনও জিনিস সেই এলাকায় যাতে না ঢুকতে পারে, তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। তবেই একমাত্র করোনার ছড়িয়ে পড়া ঠেকানো যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। শুক্রবার রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা বলেন রাজ্যে কোনও আক্রান্তের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না। আতঙ্ক ও গুজব ছড়িয়ে পড়া রুখতেই এই সিদ্ধান্ত।

অন্যদিকে ভারতে গত 24 ঘন্টায় আক্রান্তের সংখ্যা 58 জন বেড়ে 8504 জন হয়েছে এবং মৃতের সংখ্যা 1 জন বেড়ে 289 জন, করোনা থেকে মুক্তি পেয়েছে 276 জন। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের আক্রান্তের সংখ্যা 110 এবং মৃতের সংখ্যা 5, করোনা মুক্ত হয়েছে 19 জন।

Categories
কলকাতা রাজ্য হোম

করোনা সংক্রামিত হটস্পটগুলিকে সিল করার জোরদার প্রস্তুতি নবান্নে

নবান্ন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রধান কার্যালয়

নিজস্ব প্রতিনিধি : – গত  25 মার্চ থেকে কেন্দীয় সরকারের নির্দেশে চলছে 21 দিনের লকডাউন। তার মধ্যে এবার রাজ্য সরকার কয়েকটি এলাকাকে হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত করে সম্পূর্ণ লোকডাউন ঘোষণা করতে চলেছে। শুক্রবার রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে এই কথা জানিয়েছে। ইতিমধ্যেই নবান্নে জোরকদমে  তার তোড়জোড শুরু করে দিয়েছে।

http://www.thekolkatanews.net/এবছর-দাদাসাহেব-ফালকে-পুর/




কোনও একটি নির্দিষ্ট এলাকায় করোনা সংক্রমণ বেশি হলে সেই জায়গাটি হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত করা হবে। জানা গিয়েছে, “যাতে সেখান থেকে কোনওভাবে সংক্রমণ দ্রুত ছড়াতে না পারে, তাই সেই এলাকাকে অন্য জায়গা থেকে কয়েকদিন এর জন্য সম্পূর্ণ লকডাউন করা হবে।তার ফলে ওই জায়গায় কেউ ঢুকতে পারবে না কিংবা সেখান থেকে কেউ বেরোতেও পারবেন না।খুব প্রয়োজনে কাউকে বেরোতে হলে এলাকায় ঢোকা কিংবা বেরনোর সময় করা হবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা। এছাড়াও ওই এলাকায় গত কয়েকদিনের মধ্যে কারা আসা যাওয়া করেছেন, তাঁদের একটি তালিকা তৈরি করা হবে। হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত এলাকায় বাড়ানো হবে স্বাস্থ্য পরীক্ষাও। কারও শরীরে কোনও উপসর্গ দেখা দিচ্ছে কি না, সেদিকেও নজরদারি চালানো হবে।”


সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যের ৯-১০টি জায়গা হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত করার কথা জানান মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা।যদিও তিনি নিজে মুখে কোনও জায়গার নাম উল্লেখ করেননি। তবে সূত্রের খবর দমদম, সল্টলেকের বেশ কিছু জায়গা, উত্তর ২৪ পরগনার বেশ কিছু অংশ হলদিয়া , কালিম্পং, পূর্ব মেদিনীপুরের ও হাওড়া সম্পূর্ণ লকডাউনের কথা ভাবা হচ্ছে। মুখ্যসচিব আরও জানান, হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত করে সম্পূর্ণ লকডাউন করা হলেও সাধারণ মানুষের  কোনও রকম সমস্যা হবে না। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে নানা পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার। যে এলাকাগুলিকে হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত করা হবে, সেই জায়গাগুলিতে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হবে নিত্য প্রয়োজনীয় দৈনন্দিন সামগ্রী এবং ওষুধপত্র। এমনকি প্রয়োজন হলে রান্না করা খাবার ও প্রয়োজনীয় স্থানে দিয়ে আসা হবে সরকারের তরফ থেকে।
কোনো ব্যাক্তি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে জরুরি কালীন চিকিৎসার সুব্যবস্থা করা হবে।

Categories
আন্তজার্তিক দেশ হোম

ভারতের করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে পাঁচ হাজার.

করোনভাইরাস :- ভারতের করোনাভাইরাস কেস গত 24 ঘন্টার মধ্যে 394 টি নতুন সংক্রামিত নিয়ে 5172 এ পৌঁছেছে। মোট সংক্রামণের  মধ্যে কমপক্ষে 1455 জন মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে দিল্লির ইসলামপন্থী গ্রুপ তাবলিগী জামাতের সাথে সম্পর্কিত।

এখনও পর্যন্ত এই রোগে 150 জন মারা গেছেন।সব থেকে বেশি করোনাভাইরাস এ আক্রান্ত রাজ্য হলো মহারাষ্ট্র, যার আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় 868 জন এবং মৃতের সংখ্যা 52 জন।অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে 5 জন । ভারতের করোনভাইরাস মহামারীর দ্বিতীয় থেকে তিন পর্যায়ের মধ্যে রয়েছে, সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকও বলেছিল যে প্রধানমন্ত্রী মোদী দেশকে আরও দীর্ঘ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছিল।সোমবার সকালে পাওয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে কেন্দ্রীয় হেলথ  মিনিস্ট্রির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, করণাভাইরাসে 60 বছরের বেশি মানুষ মারা গেছে 63%,40 হইতে 60 বছরের মানুষ মারা গেছে 30% এবং 40 বছরের নিচে মারা গেছে 7% মানুষ.

বিশ্বব্যাপী, মৃতের সংখ্যা 74649 ছাড়িয়ে গেছে এবং এই রোগ থেকে মুক্তি পেয়েছে প্রায় 278,428 । সর্বমোট সংক্রমণের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে 1,364828 । এর মধ্যে সংক্রামণের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ছাড়িয়েছে আমেরিকা যুক্তরাষ্টে, সংক্রামণের সংখ্যা তিন লক্ষ সাতষট্টি হাজার এবং মৃতের সংখ্যা 10490 জন।অন্যদিকে করণাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি মারা গেছে ইতালিতে, যার মৃতের সংখ্যা প্রায় 16523 জন ।