Categories
রাজ্য

SSC- র নবম এবং দশম নিয়াগ লিস্ট ভুল ধরে দিয়ে এক মাসের মধ্যে নতুন লিস্ট তৈরির নির্দেশ হাইকোর্টের.





## কলকাতা: এসএসসি-র নবম এবং দশমে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ভুল ৷ এসএসসি-কে সেই ভুল ধরিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট ৷

মামলাকারীকে 4 সপ্তাহের মধ্যে নিয়োগ করতে হবে ৷ মঙ্গলবার এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন সিঙ্গেল বেঞ্চের বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচা‍র্য ৷
তবে, সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করতে চলেছে এসএসসি ৷ সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যাওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসএসসি ৷

প্রসঙ্গত, একাধিক ইস্যুতে রাজ্যে এসএসসি জট অব্যাহত ৷ মামলাকারীদের অভিযোগ মেধা তালিকায় নাম ওঠা স্বত্ত্বেও মিলছে না চাকরি ৷ পশ্চিমবঙ্গ এসএসসি বোর্ডের দুর্নীতির বিরুদ্ধে  এবং নিজেদের চাকরির দাবিতে গত বৃহস্পতিবার থেকে এখনো পর্যন্ত 6 দিন ধরে মেয়োরোডে পাশে অনশনে বসেছেন চাকরিপ্রার্থীরা
আজ হাইকোর্টের রায়ে মামলাকারী তথা  অনশনকারী জন্য কিছুটা হলেও আশা যোগালো ৷
Categories
আন্তজার্তিক হোম

পাকিস্তানে আবার সার্জিক্যাল স্টাইকের শিকার হলো বালুচিস্তানের রিপাবলিক আর্মির দ্বারা

বালুচিস্তান :- কয়েকদিন ধরে পাকিস্তানের জঙ্গীদের উপর এয়ার স্ট্রাইক করে আসছিল ভারত ৷ এবার পাক আর্মি ক্যাম্পে ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ করার দাবি করল আজাদ বালুচিস্তানের দাবিদাররা৷ বালুচিস্তান রিপাবলিক আর্মির তরফে সম্প্রতি দাবি করা হয়েছে বালুচিসতানের মান্ড এলাকাতে তিনটি পাকিস্তানের আর্মি ক্যাম্প গুঁড়িয়ে দিয়েছে তারা৷

১৯৪৭ সাল থেকেই স্বাধীন বালুচিস্তানের দাবি করে আসছে এখানের বাসিন্দারা৷ নিজেদের এলাকার সম্পদের উপর বালুচদের অধিকার ও স্বাধীন বালুচস্তানের দাবি নিয়ে বেশ কয়েক বছর ধরে আন্দোল এবং লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে বালোচরা৷ পাকিস্তানের সেনা ও জঙ্গীদের মিলিত বাহিনী কঠোর হাতে এই আন্দোলন দমন করে আসছে৷ পাক সেনার বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা মহিলা ও শিশু সহ প্রায় ২০ হাজার সাধারণ নিরীহ বালোচদের আটকে রেখে ধর্ষণ ও খুন করছে৷


২৬ ফ্রেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বালাকোট সেক্টারে এয়ার স্ট্রাইক করে ভারতীয় বায়ু সেনা৷ এর একদিন পরেই বালুচিস্তানের মান্ডতে পাকিস্তানী  সেনার তিনটি ক্যাম্প আক্রমণ করে তিনটিকে গুঁড়িয়ে দেয় বালুচিস্তান রিপাবলিক আর্মি৷ তার ভিডিও প্রকাশ করেছে বালুচিস্তান রিপাবলিক আর্মি

আমেরিকা থেকে বালোচদের হয়ে কথা বলা বালুচিস্তান ন্যাশনাল কংগ্রেস কাশ্মীরে পুলওয়ারমা হামলায় 88 জন ভারতীয় সেনার মৃত্যুর পর ভারতের পক্ষ নিয়েছে৷ বালুচিস্তান ন্যাশনাল কংগ্রেসর দাবি প্রতিবেশী দেশগুলিকে স্বস্তি দিতে এবং পুলওয়ামার বদলা নিতে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ করা উচিত ভারতের ৷ তবে শুধু বালোচরাই নয়! আফগানিস্তান থেকে ইরান পাকিস্তানের বিরোধিতা এবং সমালোচনা করছে প্রত্যেকেই৷ তার উপর ভারতের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, বালোচদের স্বাধীনতার লড়াই, সব মিলিয়ে এখন কোনঠাসা পাকিস্তান সরকার ৷ সব মিলিয়ে নিজেদের জঙ্গী কার্যকলাপে বিশ্বের সকল দেশের নজরে যথেষ্ট চাপে তারা।
Categories
দেশ

সাত দিনের মধ্যে পুলওয়ামায় জড়িত জঙ্গীদের খতম করলো ভারতীয় সেনা.



পুলওয়ামা,জম্মু কাশ্মীর :- কিছুটা হলেও দেশবাসীর  জন্য আনন্দের সংবাদ শোনালো ভারতীয় সেনা । পুলওয়ামায় হামলার সাত দিনের  মধ্যে কাশ্মীর উপত্যকায় জইশের সব জঙ্গি নেতা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছে, জানিয়েছে ভারতীয় সেনা। পুলওয়ামায় সিআরপি-র উপরে হামলা ও গত কাল জইশ জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষের পরে আজ প্রথম বাহিনীর তরফে সাংবাদিক বৈঠক করা হয়। তাতে সেনার ১৫ নম্বর কোরের কম্যান্ডার কে জে এস ধিলোঁ ছাড়াও হাজির ছিলেন জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের আইজি এস পি পানি ও সিআরপি-র আইজি জুলফিকার হাসান। ধিলোঁ জানান, পুলওয়ামায় হামলার ১০০ ঘণ্টার মধ্যে উপত্যকায় জইশের সব নেতা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছে।

গত কাল সংঘর্ষে নিহত জইশ নেতার পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল। প্রথমে বাহিনীর তরফে দাবি করা হয়, পুলওয়ামা হামলার মূল চক্রী রশিদ গাজ়ি নিহত হয়েছে। পরে আবার কয়েকটি সূত্র থেকে দাবি করে, নিহত হয়েছে গাজ়ির সহযোগী কামরান। কিন্তূ রাতে আবার একটি সূত্র থেকে দাবি করে, কাশ্মীরে নিহত তৃতীয় জঙ্গি রশিদ গাজ়ি হলেও হতে পারে।


আজ অবশ্য নিহত জইশ নেতাকে কামরান বলেই উল্লেখ করেছেন ধিলোঁ। তিনি বলেন, ‘‘জইশ ই মহম্মদ জঙ্গিগোষ্ঠী হলো পাকিস্তানি সেনার সৃষ্টি। কামরান ও তার সহযোগী  সঙ্গীদের পাক সেনা ও আইএসআই নিয়ন্ত্রণ করছিল। তাই পুলওয়ামা হানাতেও যে পাকিস্তানী সেনা জড়িত তা নিয়ে সন্দেহ নেই।’’

পুলওয়ামা কাণ্ডের মূল চক্রী রশিদ গাজ়ি আফগানিস্তানে লড়াই করেছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে দাবি করা হয়েছিল।আফগানিস্তানের থেকেই রশিদ গাজী গাড়িবোমা তৈরির প্রশিক্ষণ পেয়েছিল বলেও দাবি করেন ভারতীয়  গোয়েন্দা বিভাগ । আজ এ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ধিলোঁ বলেন, ‘‘এমন অনেক গাজ়ি এসেছে। যে গাজ়িই আসুক আমরা তার সঙ্গে মোকাবিলা করতে তৈরি। তবে অনেক বছর পরে কাশ্মীরে গাড়িবোমা হামলা হয়েছে। সেই বিপদের মোকাবিলার কৌশল স্থির করা হচ্ছে।’’

জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের আইজি এস পি পানি দাবি করেন, গত তিন মাসে কাশ্মীরি যুবকদের মধ্যে জঙ্গি দলে যোগ দেওয়ার প্রবণতা অনেক কমেছে। এছাড়া ভারতীয় সেনা চারিদিকে তীক্ষ্ণ নজর রেখে কাজ করছে ।

Categories
দেশ

প্রধামন্ত্রী কিশান সমমান নিধি যোজনায় অন্তর্ভুক্ত ছোট কৃষকরা প্রতি বছর 6000 টাকা পাবে.

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পীযুষ গোয়েল

নিজস্ব প্রতিনিধি : লোকসভা নির্বাচনের আগে কৃষক সম্প্রদায়কে আচমকা কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পীযুষ গোয়ল তার বাজেট বক্তৃতায় শুক্রবার দুই হেক্টরেরও কম জমির মালিক  কৃষকদের প্রতি বছর 6,000 টাকা সরাসরি কৃষকদের দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেন।

প্রধানমন্ত্রী কৃষক সমমান নিধি(PMKSN) ’প্রকল্পে নামে দেওয়া টাকায় প্রত্যাশিত প্রায় 12 কোটি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকেরা উপকৃত হবে এবং 1 ডিসেম্বার ২018 থেকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কার্যকর হবে এবং এই প্রকল্পের টাকা তিনটে সমান কিস্তির মাধ্যমে কৃষকদের ব্যাংক একাউন্টে সরাসারি ট্রান্সফার করা হবে এবং প্রথম কিস্তির টাকা লোকসভা নির্বাচনের আগে কৃষকরা পেয়ে যাবে । এই প্রকল্পের পুরো খরচ কেন্দ্রীয় সরকার অর্থায়ন করবে। এই প্রকল্পের ফলে 1২ কোটি কৃষক পরিবার উপকৃত হবে। প্রকল্পের তালিকা প্রস্তুত করার পরেই প্রথম কিস্তির টাকা কৃষকদের দেওয়া হবে, বলেন পীযূষ গোয়েল।


এই প্রকল্পটির জন্য সরকার প্রতি বছর 75,000 কোটি টাকা খরচ করবে।গোয়েল বলেন যে, এই আর্থিক বছরের জন্য 20,000 কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। PMKSN প্রকল্পের পাশাপাশি, গ্রামীণ কর্মসংস্থান MGNREGA প্রকল্পের জন্য 60,000 কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
বলাবাহুল্য, প্রতিটি কৃষকের কাছে 6,000 টাকা দেওয়া হলে মোট ব্যয় 75,360 কোটি টাকা হবে।

ধারণা করা হচ্ছে যে, কেন্দ্রীয় সরকার ওডিশা সরকারের ‘Kalia’ প্রকল্পের পরিকল্পনা মতো একই সনাক্তকারী সুবিধাভোগী চাষীদের কাছে একটি ফ্ল্যাট ক্যাশ ট্রান্সফার ঘোষণা করতে পারে বা তেলআঙ্গানার ‘Rythu Bandhu’ প্রকল্পের মতো প্রতি একর জমির ভিত্তিতে ভিত্তি করেও  টাকা দিতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর কিশন সমমান নিধি(PMKSN) তেলঙ্গানা সরকারের Rythu Bandhu প্রকল্পের পরিকল্পনার একটি সংশোধন মাত্র, যা প্রতি একর ভিত্তিতে (প্রতি বছরে প্রতি একর প্রতি 8000 টাকা) সহায়তা প্রদান করে, যা কোন নির্দিষ্ট ধারণার ছাড়াই।
Categories
দেশ

আবার বিষমদ কাণ্ডে জর্জরিত যোগীর উত্তরপ্রদেশ,মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬

নিজস্ব প্রতিবেদন: পশ্চিমবঙ্গের বিষমদ কাণ্ডের ভয়াবাহ রূপ ভারতবাসি এখনো ঠিকমতো ভোলেনি তার উপর  উত্তর প্রদেশ এর বিষমদ কান্ড ভারত বাসির মনে ভয়ানক ভীতির সৃষ্টি করেছে ! ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের সাহারনপুর ও কুশিনগর এলাকায়। বিষমদ কাণ্ডে গত ৪ দিনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪৬ জন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন আর কমপক্ষে ৩০ জন। মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন প্রশাসন। উত্তর প্রদেশ সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, পশ্চিম উত্তর প্রদেশের সাহারনপুরে ৩৮ এবং পূর্ব উত্তর প্রদেশের কুশিনগরের ৮ জনের এই মুহূর্তে মৃত্যুর খবর মিলেছে । যারা বিষমদ কাণ্ডে মারা গেছেন তাদের প্রত্যেকের ২ লাখ টাকা এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য 50,000 টাকা অনুদানের ঘোষণা করেছেন,মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ

উত্তর প্রদেশ পুলিসের দাবি, প্রতিবেশী রাজ্য উত্তরাখণ্ড থেকেই আসে এই মদ। পুলিসের দাবি, উত্তরাখণ্ড থেকেই আসা ওই মদ সাহারনপুরে বিক্রি করা হয়েছে। অন্যদিকে, যে রাজ্যে মদ বিক্রি আইনত নিষিদ্ধ সেই বিহার থেকে নাকি কুশিনগরে মদ পাচার হয় বলে অভিযোগ তোলে যোগীর পুলিস। সাহরনপুরের জেলাশাসক একে পাণ্ডে বলেন, “দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা গেলে হয়ত মৃত্যুর সংখ্যা কমানো যেত। পিন্টু নামে এক অভিযুক্ত ৩০টি চোলাই প্যাকেট নিয়ে সাহরনপুরে বিক্রি করে। দু’একটি প্যাকেট উদ্ধার করা গিয়েছে।”

এই ঘটনার পরই নড়েচড়ে বসে যোগী আদিত্য নাথের সরকার । শুরু হয় বেআইনি মদের দোকান ভাঙার অভিযান। সাহারনপুরের এসপি দিনেশ কুমার জানান, দুই রাজ্যের সীমান্তে উপর  কড়া নজর রাখা হচ্ছে। খোঁজ চলছে বিষমদের প্রস্তুতকারীসহ বিক্রেতাদের । মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশে বেআইনি মদ প্রস্তুত এবং বিক্রিতে লাগাম টানা হচ্ছে। কুশিনগরের জেলা আবগারি ইনস্পেকটর-সহ একাধিক অফিসারকে বদলি করা হয়েছে। সূত্রে খবর, বেশ কিছু পুলিস অফিসারকে বরখাস্ত করেছে যোগী সরকার। এই ঘটনায় কমপক্ষে ৪০ জনের গ্রেফতার করেছে পুলিস।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের পর উত্তর প্রদেশে এমন ৮টি বিষমদ কাণ্ডে মৃত্যু হয়েছে ১৭৭ জনের। কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গের শান্তিপুর, সংগ্রামপুর সহ বিভিন্ন এলাকায়  বিষমদে মৃত্যু হয় কয়েকশো জনের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতা আসার পরপরই ২০১১ সালে ভয়াবহ বিষমদ কাণ্ডে প্রাণ হারায় কমপক্ষে ১৭৩ জন। সে সময় পরিবারপিছু ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয় মমতা সরকার।
Categories
দেশ

গরুকে ‘জাতীয় মাতা’ হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব বিধানসভায় পাশ হয়ে গেল

নিজস্ব প্রতিনিধি :-গরুকে ‘জাতীয় মাতা’ হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাশ হয়ে গেল উত্তরাখণ্ড বিধানসভায়। পাশ হওয়া এক লাইনের এই প্রস্তাব বিবেচনার জন্য পাঠানো হবে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। বিধানসভায় প্রস্তাব আনেন রাজ্যের প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতরের মন্ত্রী রেখা আর্য


উত্তরখণ্ডের বিজেপি সরকার ইতিমধ্যেই গোরক্ষার জন্য রাজ্যে গরু হত্যা নিষিদ্ধ করেছে। এবার সারা দেশেই যাতে সেই নিষিদ্ধ-আইন বলবত হয়, সেই চেষ্টাই করছেন তারা। এমনটাই জানিয়েছেন মন্ত্রী।

https://amzn.to/2BVH9z7

বিরোধী নেতা ইন্দিরা হৃদয়েশ পরিত্যক্ত পশু নিয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি জানানোর দাবি করেন। যদিও রাজ্যের কংগ্রেস প্রধান প্রীতম সিং সরকারের আনা প্রস্তাব সমর্থন করেছেন বলে জানা গিয়েছে।
প্রাণী সম্পদ  বিকাশ দফতরের সচিব আর মীনাক্ষী সুন্দরম দাবি করেছেন, একদশকের মধ্যে পরিত্যক্ত গরুর সংখ্যা কমে যাবে এবং তাঁর আরও  দাবি পথচলতি গরুগুলির ৭৫ শতাংশই ষাঁড়। রাষ্ট্রীয় গোকুল মিশনের সহযোগিতায় পথে ঘুরে বেরানো গরুগুলির ওপর নিয়ন্ত্রণ আনা সম্ভব হবে বলে দাবি করেছেন তিনি।
https://amzn.to/2BVH9z7
Categories
রাজ্য

রামমন্দির নিয়ে মমতাকে পাশে নিয়েই বিজেপিকে তুলোধনা করলেন আশ্রমের প্রধান মহন্ত

কপিল মুনির আশ্রমের প্রধান মহন্ত ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা


গঙ্গাসাগর,পশ্চিমবঙ্গ : লোকসভা ভোটের আগে একের পর এক হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলি বিজেপি আক্রমণ করেই চলেছে । একদিকে রামমন্দির নিয়ে বিশ্ব হিন্দু  পরিষদ হুঁশিয়ারি দিয়েই রেখেছে। অন্যদিকে চাপ বাড়াচ্ছে আরএসএসও। তবে এবার কি দেশজুড়ে  সাধু-সন্তরাও বিজেপির  থেকে  দূরে  সরছেন? প্রশ্ন রাজনৈতিক সমালোচকদের মুখ্যমন্ত্রীকে পাশে রেখে রামমন্দির নিয়ে বিজেপিকে বিঁধলেন কপিল মুনির আশ্রমের প্রধান মহন্ত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উচ্ছ্বসিত প্রশংসাতেও কী রইল বিজেপির জন্য  বার্তা? বলা হয়, রামমন্দির বিজেপির  সবচেয়ে কার্যকরী ভোট মেশিন। অভিযোগ, প্রতিবার ভোট  এলেই তাই রামমন্দির ইস্যুকে আঁকড়ে ধরে গেরুয়া শিবির। এবার তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে সেই অভিযোগ দেশের শীর্ষস্থানীয় এক সন্তের।  তাও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাশে দাঁড়  করিয়ে। পাঁচ রাজ্যের বিজেপির শোচনীয় ফলের কথা মনে  করিয়েও বিজেপিকে  মনে  করিয়ে  দিয়েছেন প্রধান মহন্ত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপরই ভরসা রাখারই  বার্তা দেন তিনি। গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি  খতিয়ে দেখতে কপিল মুনির আশ্রমে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তারই মধ্যে  সাধুসন্তদের তরফে বিজেপিকে নজিরবিহীন এই আক্রমণ। রাজ্যে সম্প্রীতি রক্ষাই তার অগ্রাধিকার বলেও প্রধান মহন্তকে জানান মুখ্যমন্ত্রী। সাধুসন্তদের মধ্যে কপিল মুনির আশ্রম প্রধান সন্তের অবস্থান বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। আর তাই আশ্রমের প্রধান মহন্তের বার্তা বিজেপির কাছে দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে 



https://amzn.to/2BVH9z7

Categories
দেশ

‘অব কি বার, হিন্দু সরকার’, স্লোগানে ঝড় প্রবীণ তোগাড়িয়ার

প্রবীণ তোগাড়িয়া

নয়াদিল্লি: রামমন্দির নির্মাণে সংসদে আইন তৈরির দাবি নিয়ে প্রথম থেকেই সরব প্রাক্তন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নেতা প্রবীণ তোগাড়িয়া৷ এবার তিনি নয়া স্লোগানে তুললেন ঝড়৷ বললেন, ‘অব কি বার, হিন্দু সরকার’৷

সূত্রের খবর, নয়া রাজনৈতিক দলের ঘোষণা করতে পারেন প্রবীণ এই নেতা৷ মন্দির না হলে ভোট নয়, এমনই হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, পরবর্তী সরকার হিন্দু সরকার হবে, সেই সরকার শপথ গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে মন্দির নির্মাণের বিষয়টিতেও নিশ্চয়তা দেবে৷ পাশাপাশি যুবকদের চাকরি, কৃষকদের ঋণ মকুব, এই বিষয়গুলিও দেখবে সেই সরকার৷

প্রসঙ্গত, গত মাসেই রামমন্দির ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি তোপ দেগেছিলেন তোগাড়িয়া৷ তাঁর মতে, রাম মন্দির ইস্যুকে সামনে রেখে ক্ষমতায় এসেছিল বিজেপি৷ অথচ ক্ষমতায় থাকার চার বছর কেটে গেলেও, কোনও পদক্ষেপই নেওয়া হয়নি সে ব্যাপারে৷

তিনি এও বলেছিলেন, রাম মন্দির ইস্যুতে বিজেপি দুমুখো নীতি নিয়ে চলছে৷ তিনি আরও বলেন বিজেপির ক্ষমতায় থাকার কোনও অধিকার নেই, যদি না তারা রাম মন্দির ইস্যু সমাধান করতে না পারে৷ রাম মন্দির তৈরি করাই বিজেপির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত৷

তাঁর নতুন দল অন্তঃরাষ্ট্রীয় হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে প্রবীণ তোগাড়িয়া বলেন রাম মন্দির তৈরির সমর্থনে কয়েকশো সমর্থক নিয়ে ২১শে অক্টোবর অযোধ্যায় মিছিল করবেন তিনি ও তাঁর দল৷ রাম মন্দির নিয়ে বিজেপির দ্বিচারি মনোভাবকে সামনে নিয়ে আসবে অন্তঃরাষ্ট্রীয় হিন্দু পরিষদ৷ তিনি আরও বলেন এই ইস্যু নিয়ে ছেলে খেলা করছে বিজেপি৷ বিষয়গুলিতে যথাযোগ্য গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না৷ এই বিষয়গুলি তাঁরা বরদাস্ত করবেন না বলেও জানান প্রবীণ তোগাড়িয়া৷

Categories
দেশ

ব্যাঙ্কের সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে এ বার গুজরাতের ব্যবসায়ী নাইজেরিয়ায় পলাতক

নিতিন সানদেসার 


নিজস্ব প্রতিনিধি : মোদী জামানায়  একের পর এক ব্যাংক দুর্নীতিতে নাজেহাল দেশবাসী । তার উপর ব্যাংক দূর্নীতির অভিযোগ উঠল মোদির খাসতালুক গুজরাট রাজ্যের এক ব্যাবসায়ী সংস্থার বিরুদ্ধে । বিজয় মালিয়া, ললিত মোদি, নীরব মোদি, মেহুল চোকসির পর এবার সামনে এল মোদি জমানার নয়া ব্যাংক জালিয়াতি। প্রায় ৫,৩৮৩ কোটি টাকার ঋণখেলাপির অভিযোগ উঠল গুজরাটের ব্যাবসায়ী নীতীন সনদেসারা এবং তাঁর পরিবারের  বিরুদ্ধে। গুজরাটের ভদোদারার স্টারলিং বায়োটেক নামে একটি সংস্থার মাধ্যমে প্রায় ৫,৩৮৩ হাজার কোটির জালিয়াতি করার অভিযোগ রয়েছে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সনদেসারা ইতিমধ্যেই ই
ডি এবং সিবিআইয়ের ওয়ান্টেডের তালিকায় আছেন।

সিবিআইয়ের তরফে স্টারলিং বায়োটেকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে, ওই সংস্থার ডিরেক্টর নীতীন সনদেসারা, চেতন সনদেসারা, দীপ্তিবেন সনদেসারা, রাজভূষণ ওমপ্রকাশ দীক্ষিত, বিলাস যোশী, হেমন্ত হাথি এবং অনুপ গার্গের বিরুদ্ধে। এদের মধ্যে গার্গকে গ্রেপ্তার করা গিয়েছে। কিন্তু মূল তিন অভিযুক্ত ইতিমধ্যেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছে। এই সংস্থাটির মোট প্রায় ৩০০টি শাখা এবং বেনামি সংস্থা খুলে মোট প্রায় ৫,৩৮৩ হাজার টাকার প্রতারণা করেছে বলে অভিযোগ। কোম্পানির বার্ষিক হিসেবেও ইচ্ছেমতো গড়মিল করা হয়েছে। গুজরাট সরকার ও প্রশাসন সরাসরি এই কেলেঙ্কারির সাথে জড়িত বলে বিরোধীরা দাবি করেছেন । 

রবিবার খবর ছড়িয়ে পড়ে নীতীন সনদেসারা এবং তাঁর ভাই চেতন সনদেসারা, ভাইয়ের বউ দীপ্তিবেন সনদেসারা সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে ধরা পড়েছেন। সেই মতো ভারতের তরফে ওই ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করার জন্য ভারতের তরফে আমিরশাহীর কাছে আবেদন করারও প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছিলেন ভারতীয় আধিকারিকরা। কিন্তু, এরই মধ্যে জানা যায় সনদেসারাদের আমিরশাহিতে ধরা পড়েননি। নাইজেরিয়ায় পালিয়ে গিয়েছেন। তাৎপর্যপূর্ণভাবে নাইজেরিয়ার সঙ্গে ভারতের কোনও প্রত্যার্পণ চুক্তি নেই। তাই এই ফেরার ব্যবসায়ীদের দেশে ফেরানো বেশ কঠিন কাজ হবে । একের পর এক ব্যাংক দুর্নীতির অভিযোগে এমনিতেই চাপে মোদি সরকার। এর মধ্যে আবার নতুন অভিযোগ, তাও মোদির নিজের রাজ্যের ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। নতুন ব্যাংক দুর্নীতির অভিযোগ রীতিমতো মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠতে পারে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। তবে সকলের লক্ষ্য পরবর্তী সময়ে মোদী সরকার ঋণখেলাপিদেরদেশে ফেরানোরজন্য কি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন  
Categories
রাজ্য

ইসলামপুরে দুই ছাত্রকে খুন করেছে বিজেপি-আরএসএস: মমতা

নিজস্ব প্রতিবেদন: পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ইসলামপুরের দাঁড়িভিট স্কুলে পুলিসের গুলিতে দুই ছাত্রের মৃত্যু হয়নি। তাদের খুন করেছে বিজেপি-আরএসএস। ইতালির  মিলান থেকে এমনটাই মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ‘দুই ছাত্রের পরিবারকে সমবেদনা জানাই। ঘটনাটি দুভার্গ্যজনক। আমার কাছে খবর আছে, পুলিসের ময়নাতদন্তের পর জানতে পেরেছি, এটা পুলিসের গুলি নয়’।
ইসলামপুরের দাঁড়িভিট স্কুলে উর্দু শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে গণ্ডগোলের সূত্রপাত। প্রাণ হারান দুই ছাত্র। এই ঘটনায় তোলপাড় গোটা রাজ্য। তবে ঘটনার সময়ে রাজ্যে নেই মুখ্যমন্ত্রী। বিনিয়োগ টানতে ইউরোপ সফরে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতালির মিলান থেকে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাত্কারে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বলেন,”বাইরে থেকে গুন্ডা ভাড়া করে নিয়ে এসে। মুখে গামছা বেঁধে বন্দুকের গুলি করে স্কুলে তাণ্ডব করেছে। দুই ছাত্র মারা গিয়েছে। এর দায় বিজেপি ও আরএসএস-কে নিতে হবে। প্রতিটি সভায় তাদের নেতারা উস্কানি দিচ্ছেন। ভাড়াটিয়া গুন্ডাদের নিয়ে আসছে ওরা”।
 ইসলামপুরে ছাত্রছাত্রীদের বিক্ষোভের নেপথ্যে

আরএসএসের যোগ রয়েছে বলে দাবি করেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেই একই সুরে এদিন তৃণমূল নেত্রীও এর পিছনে ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তাঁর কথায়, ”গোটা ব্যাপারটা পরিকল্পনামাফিক করেছে বিজেপি। মহরমের আগে দাঙ্গা লাগানোর ছক ছিল তাদের। দুই ছাত্রকে মেরে বনধ ডাকতে বসে গেল। কোথা থেকে বোম এল? ছাত্র মারা যাওয়ার জন্য বিজেপি ও আরএসএস দায়ী। কেন তারা দুই ছাত্রকে খুন করল? ছাত্রদের আমরা ভালবাসি। আমরা পরিবারের সঙ্গে আছি। এটা বিজেপির জঘন্য খেলা”। মমতার আরও দাবি, তিনি বাইরে থাকলে রাজ্যে গণ্ডগোল পাকায় বিজেপি-সিপিএম।