Categories
দেশ হোম

ভারতে জিও কোম্পানি আসার পিছনে কার হাত দেখে নিন

জিও কর্ণধার মুকেশ আম্বানি

জিও হল একটি ভারতীয় মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ভয়েস কল  প্রদানকারী সংস্থা। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের মালিকানাধীন এবং এর সদর দপ্তর মহারাষ্ট্রের মুম্বই শহরে। এটি দেশের ২২ টি টেলিকম অঞ্চল জুড়ে একটি জাতীয় এলটিই নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে। জিও ২জি বা ৩জি পরিষেবা প্রদান করে না, তার পরিবর্ত হিসাবে ভয়েস কল এর জন্য এলটিই ব্যবহার করে থাকে ।

টেলিকম জগতের বর্তমানে সবচেয়ে লাভ জনক প্রতিষ্ঠান হল জিও কোম্পানি।টেলিকম জগতে জিও আসার পিছনে অন্য কেউ নয়। মেয়ে ঈশা আম্বানি আর ছেলে আকাশ অম্বানীর কথাতেই জিও-র ব্যবসা শুরু করার কথা মাথায় এসেছিলো রিলায়েন্স কর্ণধার মুকেশ অম্বানী। লন্ডনের একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক পুরস্কার মঞ্চেই এই রহস্য ফাঁস করেছেন স্বয়ং মুকেশ আম্বানি।

মুকেশ জানিয়েছেন, মোবাইল এবং টেলি কমিউনিকেশন ব্যবসায় পা দেওয়ার ভাবনা ২০১0 সালে তাঁর মাথায় আসে। সেই সময়ে আমেরিকার ইয়েল ইউনিভার্সিটিতে পাঠরত ঈশা ছুটিতে কয়েকদিনের জন্য বাড়িতে আসেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রজেক্ট নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। ইন্টারনেট স্পিড কম থাকার জন্য প্রজেক্টের কাজ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন ঈশা। তখন ঈশা সেই কথা জানান তার বাবা মুকেশকে। তখনই একটু একটু করে টেলিকম ব্যবসার চিন্তা ভাবনা দানা বাঁধতে শুরু করে।

মুকেশ জানিয়েছেন, বিষয়টি জানতে পেরে ছেলে আকাশও তাঁকে বলেন, ভবিষ্যতে ডিজিটাল যুগ অপেক্ষা করছে। সব কাজই হবে ডিজিটাল প্রযুক্তির সাহায্যে। তখন ইন্টারনেটের চাহিদা ব্যাপক হারে বেড়ে যাবে ।  আকাশ তাঁকে আরও দেখান, শুধুমাত্র ফোনে কথা বলার জন্যই বিভিন্ন সংস্থা কীভাবে গ্রাহকদের থেকে মোটা অংকের টাকা নিচ্ছে। এর পরেই বাবাকে মোবাইল পরিষেবার ব্যবসায় নামার অনুরোধ করেন আকাশ নিজেই ।

মুকেশ আরও বলেন যে, সেই সময়ে এমন পরিস্থিতি ছিল, গোটা দেশে ইন্টারনেট পরিষেবার মান অত্যন্ত খারাপ অবস্থা ছিল। নতুবা মোবাইল ইন্টারনেট ডেটার মাশুল এতটাই চড়া ছিল যে, অধিকাংশ মানুষের পক্ষেই সেই খরচ বহন করা সম্ভব ছিল না। সেই কারণেই গোটা দেশে সস্তায় ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ তারিখে সর্বজনীনভাবে জিও পরিষেবা চালু করা হয়। এর পরেই ভারতের মোবাইল পরিষেবা ব্যবসায় আমূল বদল আসে। শুরু হয় সস্তায় পরিষেবা দেওয়ার তুমুল লড়াই।জিও ছাড়া অন্যান্য কোম্পানিগুলোর  বাজার কমতে থাকে । এখন দেশের 90 শতাংশ মানুষ জিও ব্যাবহার করছে ।

Categories
দেশ রাজ্য হোম

বাংলায় লকডাউন ঠিক ভাবে মানছেনা মমতা সরকার :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মমতা ব্যানার্জী এবং অমিত শাহ

নয়াদিল্লি : পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসরকার লকডাউন চলাকালীন করোনার মোকাবিলায় যথেষ্ট কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে না । রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় লকডাউনের মতো পরিস্থিতিতেও নিয়ম কানুন মানা হচ্ছে না। ফলে করোনা মোকাবিলায় বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। এমনই এক  অভিযোগ জানিয়ে মমতা সরকারকে চিঠি দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।গত শনিবার রাজ্য প্রশাসনের কাছে এক চিঠি এসে পৌঁছয়।এই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে এই লকডাউনের মতো পরিস্থিতে রাজ্যের বহু জায়গায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে যে সকল ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন ছিল তা অনেকাংশে নেওয়া হয়নি।

বাংলার বিভিন্ন জায়গায় যেমন  নারকেলডাঙ্গা, তোপসিয়া,রাজাবাজার,মেটিয়াবুরুজের মতো এলাকায় লকডাউন বা সোশ্যাল ডিসট্যান্স কোনওভাবেই মেনে চলা হয়নি। ইচ্ছামত রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে জামায়েত হয়েছে । এই রকম কঠিন পরিস্তিতিতে রাজ্য পুলিশ প্রশাসন কীভাবে নির্বিকার ছিল, সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে চিঠিতে। অন্যদিকে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার উদ্দেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা রেশন বিলির নামে ব্যাপক জমায়েতর সৃষ্টি  করছেন, তা একেবারেই সমর্থনযোগ্য নয় বলে আশঙ্কা করছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন, যে মুখ্যমন্ত্রী যেন গোটা বিষয়টি পর্যালোচনা করে নজরদারি বাড়াক এবং গোটা বিষয়টির ওপর কড়া পদক্ষেপ নিক। এদিকে, রাজস্থানের ভিলওয়াড়া মডেলের পথে হেঁটে গোটা রাজ্যকেই সিল করার কথা ভাবছে প্রশাসন।

ইতিমধ্যে  সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যের সাতটি জেলায়  ৯-১০টি জায়গা হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত করার কথা জানান মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা।যদিও তিনি নিজে মুখে কোনও জায়গার নাম উল্লেখ করেননি। তবে সূত্রের খবর দমদম, সল্টলেকের বেশ কিছু জায়গা, উত্তর ২৪ পরগনার বেশ কিছু অংশ হলদিয়া , কালিম্পং, পূর্ব মেদিনীপুরের ও হাওড়া সম্পূর্ণ লকডাউনের কথা ভাবা হচ্ছে। মুখ্যসচিব আরও জানান, হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত করে সূত্রের খবর রাজ্যের সাতটি জেলায় বেশ কিছু হটস্পট চিহ্নিত করা হয়েছে।নির্দিষ্ট ভাবে কোন এলাকা এই তালিকায় আসতে চলেছে, তা আগে থেকে বলা যাচ্ছে না।জরুরি পরিষেবা ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ছাড়া আর কেউ বা কোনও জিনিস সেই এলাকায় যাতে না ঢুকতে পারে, তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। তবেই একমাত্র করোনার ছড়িয়ে পড়া ঠেকানো যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। শুক্রবার রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা বলেন রাজ্যে কোনও আক্রান্তের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না। আতঙ্ক ও গুজব ছড়িয়ে পড়া রুখতেই এই সিদ্ধান্ত।

অন্যদিকে ভারতে গত 24 ঘন্টায় আক্রান্তের সংখ্যা 58 জন বেড়ে 8504 জন হয়েছে এবং মৃতের সংখ্যা 1 জন বেড়ে 289 জন, করোনা থেকে মুক্তি পেয়েছে 276 জন। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের আক্রান্তের সংখ্যা 110 এবং মৃতের সংখ্যা 5, করোনা মুক্ত হয়েছে 19 জন।

Categories
আন্তজার্তিক দেশ হোম

ভারতের করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে পাঁচ হাজার.

করোনভাইরাস :- ভারতের করোনাভাইরাস কেস গত 24 ঘন্টার মধ্যে 394 টি নতুন সংক্রামিত নিয়ে 5172 এ পৌঁছেছে। মোট সংক্রামণের  মধ্যে কমপক্ষে 1455 জন মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে দিল্লির ইসলামপন্থী গ্রুপ তাবলিগী জামাতের সাথে সম্পর্কিত।

এখনও পর্যন্ত এই রোগে 150 জন মারা গেছেন।সব থেকে বেশি করোনাভাইরাস এ আক্রান্ত রাজ্য হলো মহারাষ্ট্র, যার আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় 868 জন এবং মৃতের সংখ্যা 52 জন।অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে 5 জন । ভারতের করোনভাইরাস মহামারীর দ্বিতীয় থেকে তিন পর্যায়ের মধ্যে রয়েছে, সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকও বলেছিল যে প্রধানমন্ত্রী মোদী দেশকে আরও দীর্ঘ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছিল।সোমবার সকালে পাওয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে কেন্দ্রীয় হেলথ  মিনিস্ট্রির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, করণাভাইরাসে 60 বছরের বেশি মানুষ মারা গেছে 63%,40 হইতে 60 বছরের মানুষ মারা গেছে 30% এবং 40 বছরের নিচে মারা গেছে 7% মানুষ.

বিশ্বব্যাপী, মৃতের সংখ্যা 74649 ছাড়িয়ে গেছে এবং এই রোগ থেকে মুক্তি পেয়েছে প্রায় 278,428 । সর্বমোট সংক্রমণের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে 1,364828 । এর মধ্যে সংক্রামণের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ছাড়িয়েছে আমেরিকা যুক্তরাষ্টে, সংক্রামণের সংখ্যা তিন লক্ষ সাতষট্টি হাজার এবং মৃতের সংখ্যা 10490 জন।অন্যদিকে করণাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি মারা গেছে ইতালিতে, যার মৃতের সংখ্যা প্রায় 16523 জন ।

Categories
দেশ সিনেমা

এবছর দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পেতে চলেছেন বলিউড বাদশা অমিতাভ বচ্চন.

                        অমিতাভ বচ্চন

নিজস্ব প্রতিনিধি :- ভারতীয় চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের জন্য এবছরে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পেতে চলেছেন অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন৷দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার হল ভারতের চলচ্চিত জগতের সর্বশেষ্ট সম্মান৷  মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর এই খবর প্রকাশ করেন৷ টুইটারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী লেখেন, ‘‘ভারতের দুই প্রজন্মকে দীর্ঘদিন ধরে বিনোদন দিচ্ছেন এবং উদ্বুদ্ধ করে চলেছেন অমিতাভ বচ্চন, সেইজন্য সর্বসম্মতভাবে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি৷ সমগ্র দেশের নাগরিক ও আন্তর্জাতিক মহল এই সিদ্ধান্তে খুশি৷ আমিও তাঁকে মন থেকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি৷’

চারবার জাতীয় পুরস্কার জয়ী ৭৬ বছরের অমিতাভ বচ্চনের সিনেমা কেরিয়ার পাঁচ দশক পেরিয়ে এখনও এগিয়ে চলছে। শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও আজও তিনি সমান সাবলীল। বলিউড তাঁকে ‘বিগ বি’ তকমা দিয়েছে।বলিউডের ‘শাহেনশাহ’ ভারতীয় সিনেমার অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই শিরোপা পাওয়ায় স্বভাবতই খুশি তাঁর অনুরাগীরা৷এই ঘোষণা শুনেই অভিষেক বচ্চনের টুইট, ‘ওভারজয়েড অ্যান্ড সো সো প্রাউড’! এমনকি গায়িকা লতা মঙ্গেস্কর,অভিনেতা অনিল কাপুর,রাজনীকান্ত থেকে শুরু করে পরিচালক সুজিত সরকার, মধুর ভান্ডারকর, সকলেই ‘বিগ বি’কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন৷ সোশ্যাল মিডিয়াতেও শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন অভিনেতার অনুরাগীরা৷ তাঁর আগে এই সম্মানে ভূষিত হয়েছেন বিনোদ খন্না, শশী কপূর, প্রাণ, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মতো মহান অভিনেতারা।

১৯৬৯-তে বিখ্যাত পরিচালক মৃণাল সেনের জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত ছবি ‘ভুবন সোম’এ কথক হিসাবে চলচ্চিত্র জগতে যাত্রা শুরু করেছিলেন অমিতাভ বচ্চন৷প্রথম ১৯৬৯ সালে ‘সাত হিন্দুস্তানি’ছবিতে অভিনয় করেন। তবে পরিচিতি মেলে ১৯৭১ সালের ‘আনন্দ’ থেকে। এই সিনেমার জন্য সেরা পার্শ্ব চরিত্রাভিনেতা হিসাবে ‘ফ্লিমফেয়ার’পুরস্কার পান। ১৯৭৩ সালের ‘জঞ্জির’ সিনেমা তাঁকে বলিউডের ‘অ্যাংরি ইয়ং ম্যান’ হিসেবে চিহ্নিত করে৷এরপর তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি৷ একের পর এক হিট, ব্লকবাস্টার, সুপারহিট সিনেমা  ‘শোলে’, ‘দিওয়ার’, ‘ডন’, ‘অগ্নিপথ’ হয়ে হালফিলের ‘পিকু’ বিভিন্ন সিনেমা ভারতীয় দর্শকদের উপহার দেন অমিতাভ বচ্চন৷ অভিনয় জগতে মন জয় করে নেন, দেশ তথা বিদেশের দর্শকদের৷ বলিউডের এমন কোনও পুরস্কার নেই, যা তাঁর ঝুলিতে নেই৷

১৯৮৪-তে ভারত সরকারের তরফে তাঁকে ‘পদ্মশ্রী’ সম্মান দেওয়া হয়৷ এরপর ২০০১-এ ‘পদ্মভূষণ’ এবং ২০১৫-তে ‘পদ্মবিভূষণ’ পান৷ ২০০৭-এ ফ্রান্স সরকারের তরফে সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ‘নাইট অফ দি লেজিয়ন অফ  অনার’ সম্মান প্রদান করা হয় তাঁকে৷এত বছর বয়সেও সমান ভাবে কাজ করে চলেছেন এবং দর্শকদের একের পর এক হিট ছবি উপহার দিচ্ছেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের এই লিভিং লেজেন্ট৷

Categories
দেশ

নিবার্চনী বিধি লঙ্ঘনের অপরাধে সাংসদ পদ হারাতে চলেছে সানি দেওয়াল.

সানি দেওয়াল

নিজস্ব প্রতিনিধি : শপথ গ্রহণের 28 ঘন্টা কাটতে না কাটতে নির্বাচন কমিশনের বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠলো বলিউডের সবচেয়ে রাগী হিরো সানি দেওয়ালের বিরুদ্ধে ৷ এমনকি সাংসদ পদ ও  হারাতে পারেন বিজেপির নবনির্বাচিত এমপি অভিনেতা সানি দেওল ৷ নির্বাচনী প্রচারে মাত্রাতিরিক্ত খরচের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে ৷ এরই মধ্যে ইতিমধ্যেই অভিনেতাকে নোটিশ পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন ৷ অভিযোগ খতিয়ে দেখছেন নির্বাচন কমিশন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে কড়া গুণাগার দিতে হতে পারে সানিকে ৷ এমনকি খোয়াতে পারেন সাংসদ পদও ৷



https://www.shop101.com/Shop0358381


প্রত্যেক প্রার্থীর জন্য নির্বাচনে খরচের মাত্রা বেঁধে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন ৷ সেই নিয়ম অনুসারে লোকসভা নির্বাচনের একজন প্রার্থী ৭০ লক্ষ টাকা অবধি খরচ করতে পারেন ৷ কিন্তু নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জমা পড়ে অতিরিক্ত খরচ করেছেন সানি ৷

দাবি করা হয় নির্বাচনী প্রচারের জন্য নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন করে প্রায় ৮৬ লক্ষ টাকা খরচ করেছেন এই অভিনেতা বিজেপি প্রার্থী ৷ এরপরই সানি দেওলকে নোটিশ পাঠায় কমিশন ৷


এই নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনে জয়ী প্রার্থীর সাংসদ পদ কেড়ে নিয়ে এবং রানার আপ প্রার্থীকে জয়ী হিসেবে ঘোষিতও করতে পারে কমিশন ৷ সেক্ষেত্রে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সানি হারাতে পারেন নিজের সাংসদ পদ ৷

গুরুদাসপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির হয়ে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন বলিউডের এই অ্যাকশন হিরো ৷ পঞ্জাবের কংগ্রেস নেতা সুনীল জাকারকে ৮০ হাজার ভোটে হারিয়ে জয়ী হন সানি দেওল ৷ সাংসদ হিসেবে গতকাল লোকসভায় শপথ নেন তিনি ৷ তারপরই নির্বাচন কমিশনের  এই নোটিশ বিপত্তি ডেকে এনেছে সানি দেওয়ালের কাছে ৷

Categories
দেশ

সাত দিনের মধ্যে পুলওয়ামায় জড়িত জঙ্গীদের খতম করলো ভারতীয় সেনা.



পুলওয়ামা,জম্মু কাশ্মীর :- কিছুটা হলেও দেশবাসীর  জন্য আনন্দের সংবাদ শোনালো ভারতীয় সেনা । পুলওয়ামায় হামলার সাত দিনের  মধ্যে কাশ্মীর উপত্যকায় জইশের সব জঙ্গি নেতা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছে, জানিয়েছে ভারতীয় সেনা। পুলওয়ামায় সিআরপি-র উপরে হামলা ও গত কাল জইশ জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষের পরে আজ প্রথম বাহিনীর তরফে সাংবাদিক বৈঠক করা হয়। তাতে সেনার ১৫ নম্বর কোরের কম্যান্ডার কে জে এস ধিলোঁ ছাড়াও হাজির ছিলেন জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের আইজি এস পি পানি ও সিআরপি-র আইজি জুলফিকার হাসান। ধিলোঁ জানান, পুলওয়ামায় হামলার ১০০ ঘণ্টার মধ্যে উপত্যকায় জইশের সব নেতা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছে।

গত কাল সংঘর্ষে নিহত জইশ নেতার পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল। প্রথমে বাহিনীর তরফে দাবি করা হয়, পুলওয়ামা হামলার মূল চক্রী রশিদ গাজ়ি নিহত হয়েছে। পরে আবার কয়েকটি সূত্র থেকে দাবি করে, নিহত হয়েছে গাজ়ির সহযোগী কামরান। কিন্তূ রাতে আবার একটি সূত্র থেকে দাবি করে, কাশ্মীরে নিহত তৃতীয় জঙ্গি রশিদ গাজ়ি হলেও হতে পারে।


আজ অবশ্য নিহত জইশ নেতাকে কামরান বলেই উল্লেখ করেছেন ধিলোঁ। তিনি বলেন, ‘‘জইশ ই মহম্মদ জঙ্গিগোষ্ঠী হলো পাকিস্তানি সেনার সৃষ্টি। কামরান ও তার সহযোগী  সঙ্গীদের পাক সেনা ও আইএসআই নিয়ন্ত্রণ করছিল। তাই পুলওয়ামা হানাতেও যে পাকিস্তানী সেনা জড়িত তা নিয়ে সন্দেহ নেই।’’

পুলওয়ামা কাণ্ডের মূল চক্রী রশিদ গাজ়ি আফগানিস্তানে লড়াই করেছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে দাবি করা হয়েছিল।আফগানিস্তানের থেকেই রশিদ গাজী গাড়িবোমা তৈরির প্রশিক্ষণ পেয়েছিল বলেও দাবি করেন ভারতীয়  গোয়েন্দা বিভাগ । আজ এ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ধিলোঁ বলেন, ‘‘এমন অনেক গাজ়ি এসেছে। যে গাজ়িই আসুক আমরা তার সঙ্গে মোকাবিলা করতে তৈরি। তবে অনেক বছর পরে কাশ্মীরে গাড়িবোমা হামলা হয়েছে। সেই বিপদের মোকাবিলার কৌশল স্থির করা হচ্ছে।’’

জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের আইজি এস পি পানি দাবি করেন, গত তিন মাসে কাশ্মীরি যুবকদের মধ্যে জঙ্গি দলে যোগ দেওয়ার প্রবণতা অনেক কমেছে। এছাড়া ভারতীয় সেনা চারিদিকে তীক্ষ্ণ নজর রেখে কাজ করছে ।

Categories
দেশ

প্রধামন্ত্রী কিশান সমমান নিধি যোজনায় অন্তর্ভুক্ত ছোট কৃষকরা প্রতি বছর 6000 টাকা পাবে.

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পীযুষ গোয়েল

নিজস্ব প্রতিনিধি : লোকসভা নির্বাচনের আগে কৃষক সম্প্রদায়কে আচমকা কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পীযুষ গোয়ল তার বাজেট বক্তৃতায় শুক্রবার দুই হেক্টরেরও কম জমির মালিক  কৃষকদের প্রতি বছর 6,000 টাকা সরাসরি কৃষকদের দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেন।

প্রধানমন্ত্রী কৃষক সমমান নিধি(PMKSN) ’প্রকল্পে নামে দেওয়া টাকায় প্রত্যাশিত প্রায় 12 কোটি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকেরা উপকৃত হবে এবং 1 ডিসেম্বার ২018 থেকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কার্যকর হবে এবং এই প্রকল্পের টাকা তিনটে সমান কিস্তির মাধ্যমে কৃষকদের ব্যাংক একাউন্টে সরাসারি ট্রান্সফার করা হবে এবং প্রথম কিস্তির টাকা লোকসভা নির্বাচনের আগে কৃষকরা পেয়ে যাবে । এই প্রকল্পের পুরো খরচ কেন্দ্রীয় সরকার অর্থায়ন করবে। এই প্রকল্পের ফলে 1২ কোটি কৃষক পরিবার উপকৃত হবে। প্রকল্পের তালিকা প্রস্তুত করার পরেই প্রথম কিস্তির টাকা কৃষকদের দেওয়া হবে, বলেন পীযূষ গোয়েল।


এই প্রকল্পটির জন্য সরকার প্রতি বছর 75,000 কোটি টাকা খরচ করবে।গোয়েল বলেন যে, এই আর্থিক বছরের জন্য 20,000 কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। PMKSN প্রকল্পের পাশাপাশি, গ্রামীণ কর্মসংস্থান MGNREGA প্রকল্পের জন্য 60,000 কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
বলাবাহুল্য, প্রতিটি কৃষকের কাছে 6,000 টাকা দেওয়া হলে মোট ব্যয় 75,360 কোটি টাকা হবে।

ধারণা করা হচ্ছে যে, কেন্দ্রীয় সরকার ওডিশা সরকারের ‘Kalia’ প্রকল্পের পরিকল্পনা মতো একই সনাক্তকারী সুবিধাভোগী চাষীদের কাছে একটি ফ্ল্যাট ক্যাশ ট্রান্সফার ঘোষণা করতে পারে বা তেলআঙ্গানার ‘Rythu Bandhu’ প্রকল্পের মতো প্রতি একর জমির ভিত্তিতে ভিত্তি করেও  টাকা দিতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর কিশন সমমান নিধি(PMKSN) তেলঙ্গানা সরকারের Rythu Bandhu প্রকল্পের পরিকল্পনার একটি সংশোধন মাত্র, যা প্রতি একর ভিত্তিতে (প্রতি বছরে প্রতি একর প্রতি 8000 টাকা) সহায়তা প্রদান করে, যা কোন নির্দিষ্ট ধারণার ছাড়াই।
Categories
দেশ

আবার বিষমদ কাণ্ডে জর্জরিত যোগীর উত্তরপ্রদেশ,মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬

নিজস্ব প্রতিবেদন: পশ্চিমবঙ্গের বিষমদ কাণ্ডের ভয়াবাহ রূপ ভারতবাসি এখনো ঠিকমতো ভোলেনি তার উপর  উত্তর প্রদেশ এর বিষমদ কান্ড ভারত বাসির মনে ভয়ানক ভীতির সৃষ্টি করেছে ! ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের সাহারনপুর ও কুশিনগর এলাকায়। বিষমদ কাণ্ডে গত ৪ দিনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪৬ জন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন আর কমপক্ষে ৩০ জন। মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন প্রশাসন। উত্তর প্রদেশ সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, পশ্চিম উত্তর প্রদেশের সাহারনপুরে ৩৮ এবং পূর্ব উত্তর প্রদেশের কুশিনগরের ৮ জনের এই মুহূর্তে মৃত্যুর খবর মিলেছে । যারা বিষমদ কাণ্ডে মারা গেছেন তাদের প্রত্যেকের ২ লাখ টাকা এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য 50,000 টাকা অনুদানের ঘোষণা করেছেন,মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ

উত্তর প্রদেশ পুলিসের দাবি, প্রতিবেশী রাজ্য উত্তরাখণ্ড থেকেই আসে এই মদ। পুলিসের দাবি, উত্তরাখণ্ড থেকেই আসা ওই মদ সাহারনপুরে বিক্রি করা হয়েছে। অন্যদিকে, যে রাজ্যে মদ বিক্রি আইনত নিষিদ্ধ সেই বিহার থেকে নাকি কুশিনগরে মদ পাচার হয় বলে অভিযোগ তোলে যোগীর পুলিস। সাহরনপুরের জেলাশাসক একে পাণ্ডে বলেন, “দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা গেলে হয়ত মৃত্যুর সংখ্যা কমানো যেত। পিন্টু নামে এক অভিযুক্ত ৩০টি চোলাই প্যাকেট নিয়ে সাহরনপুরে বিক্রি করে। দু’একটি প্যাকেট উদ্ধার করা গিয়েছে।”

এই ঘটনার পরই নড়েচড়ে বসে যোগী আদিত্য নাথের সরকার । শুরু হয় বেআইনি মদের দোকান ভাঙার অভিযান। সাহারনপুরের এসপি দিনেশ কুমার জানান, দুই রাজ্যের সীমান্তে উপর  কড়া নজর রাখা হচ্ছে। খোঁজ চলছে বিষমদের প্রস্তুতকারীসহ বিক্রেতাদের । মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশে বেআইনি মদ প্রস্তুত এবং বিক্রিতে লাগাম টানা হচ্ছে। কুশিনগরের জেলা আবগারি ইনস্পেকটর-সহ একাধিক অফিসারকে বদলি করা হয়েছে। সূত্রে খবর, বেশ কিছু পুলিস অফিসারকে বরখাস্ত করেছে যোগী সরকার। এই ঘটনায় কমপক্ষে ৪০ জনের গ্রেফতার করেছে পুলিস।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের পর উত্তর প্রদেশে এমন ৮টি বিষমদ কাণ্ডে মৃত্যু হয়েছে ১৭৭ জনের। কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গের শান্তিপুর, সংগ্রামপুর সহ বিভিন্ন এলাকায়  বিষমদে মৃত্যু হয় কয়েকশো জনের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতা আসার পরপরই ২০১১ সালে ভয়াবহ বিষমদ কাণ্ডে প্রাণ হারায় কমপক্ষে ১৭৩ জন। সে সময় পরিবারপিছু ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয় মমতা সরকার।
Categories
দেশ

গরুকে ‘জাতীয় মাতা’ হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব বিধানসভায় পাশ হয়ে গেল

নিজস্ব প্রতিনিধি :-গরুকে ‘জাতীয় মাতা’ হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাশ হয়ে গেল উত্তরাখণ্ড বিধানসভায়। পাশ হওয়া এক লাইনের এই প্রস্তাব বিবেচনার জন্য পাঠানো হবে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। বিধানসভায় প্রস্তাব আনেন রাজ্যের প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতরের মন্ত্রী রেখা আর্য


উত্তরখণ্ডের বিজেপি সরকার ইতিমধ্যেই গোরক্ষার জন্য রাজ্যে গরু হত্যা নিষিদ্ধ করেছে। এবার সারা দেশেই যাতে সেই নিষিদ্ধ-আইন বলবত হয়, সেই চেষ্টাই করছেন তারা। এমনটাই জানিয়েছেন মন্ত্রী।

https://amzn.to/2BVH9z7

বিরোধী নেতা ইন্দিরা হৃদয়েশ পরিত্যক্ত পশু নিয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি জানানোর দাবি করেন। যদিও রাজ্যের কংগ্রেস প্রধান প্রীতম সিং সরকারের আনা প্রস্তাব সমর্থন করেছেন বলে জানা গিয়েছে।
প্রাণী সম্পদ  বিকাশ দফতরের সচিব আর মীনাক্ষী সুন্দরম দাবি করেছেন, একদশকের মধ্যে পরিত্যক্ত গরুর সংখ্যা কমে যাবে এবং তাঁর আরও  দাবি পথচলতি গরুগুলির ৭৫ শতাংশই ষাঁড়। রাষ্ট্রীয় গোকুল মিশনের সহযোগিতায় পথে ঘুরে বেরানো গরুগুলির ওপর নিয়ন্ত্রণ আনা সম্ভব হবে বলে দাবি করেছেন তিনি।
https://amzn.to/2BVH9z7
Categories
দেশ

‘অব কি বার, হিন্দু সরকার’, স্লোগানে ঝড় প্রবীণ তোগাড়িয়ার

প্রবীণ তোগাড়িয়া

নয়াদিল্লি: রামমন্দির নির্মাণে সংসদে আইন তৈরির দাবি নিয়ে প্রথম থেকেই সরব প্রাক্তন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নেতা প্রবীণ তোগাড়িয়া৷ এবার তিনি নয়া স্লোগানে তুললেন ঝড়৷ বললেন, ‘অব কি বার, হিন্দু সরকার’৷

সূত্রের খবর, নয়া রাজনৈতিক দলের ঘোষণা করতে পারেন প্রবীণ এই নেতা৷ মন্দির না হলে ভোট নয়, এমনই হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, পরবর্তী সরকার হিন্দু সরকার হবে, সেই সরকার শপথ গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে মন্দির নির্মাণের বিষয়টিতেও নিশ্চয়তা দেবে৷ পাশাপাশি যুবকদের চাকরি, কৃষকদের ঋণ মকুব, এই বিষয়গুলিও দেখবে সেই সরকার৷

প্রসঙ্গত, গত মাসেই রামমন্দির ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি তোপ দেগেছিলেন তোগাড়িয়া৷ তাঁর মতে, রাম মন্দির ইস্যুকে সামনে রেখে ক্ষমতায় এসেছিল বিজেপি৷ অথচ ক্ষমতায় থাকার চার বছর কেটে গেলেও, কোনও পদক্ষেপই নেওয়া হয়নি সে ব্যাপারে৷

তিনি এও বলেছিলেন, রাম মন্দির ইস্যুতে বিজেপি দুমুখো নীতি নিয়ে চলছে৷ তিনি আরও বলেন বিজেপির ক্ষমতায় থাকার কোনও অধিকার নেই, যদি না তারা রাম মন্দির ইস্যু সমাধান করতে না পারে৷ রাম মন্দির তৈরি করাই বিজেপির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত৷

তাঁর নতুন দল অন্তঃরাষ্ট্রীয় হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে প্রবীণ তোগাড়িয়া বলেন রাম মন্দির তৈরির সমর্থনে কয়েকশো সমর্থক নিয়ে ২১শে অক্টোবর অযোধ্যায় মিছিল করবেন তিনি ও তাঁর দল৷ রাম মন্দির নিয়ে বিজেপির দ্বিচারি মনোভাবকে সামনে নিয়ে আসবে অন্তঃরাষ্ট্রীয় হিন্দু পরিষদ৷ তিনি আরও বলেন এই ইস্যু নিয়ে ছেলে খেলা করছে বিজেপি৷ বিষয়গুলিতে যথাযোগ্য গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না৷ এই বিষয়গুলি তাঁরা বরদাস্ত করবেন না বলেও জানান প্রবীণ তোগাড়িয়া৷