Categories
দেশ রাজ্য হোম

বাংলায় লকডাউন ঠিক ভাবে মানছেনা মমতা সরকার :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মমতা ব্যানার্জী এবং অমিত শাহ

নয়াদিল্লি : পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসরকার লকডাউন চলাকালীন করোনার মোকাবিলায় যথেষ্ট কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে না । রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় লকডাউনের মতো পরিস্থিতিতেও নিয়ম কানুন মানা হচ্ছে না। ফলে করোনা মোকাবিলায় বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। এমনই এক  অভিযোগ জানিয়ে মমতা সরকারকে চিঠি দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।গত শনিবার রাজ্য প্রশাসনের কাছে এক চিঠি এসে পৌঁছয়।এই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে এই লকডাউনের মতো পরিস্থিতে রাজ্যের বহু জায়গায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে যে সকল ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন ছিল তা অনেকাংশে নেওয়া হয়নি।

বাংলার বিভিন্ন জায়গায় যেমন  নারকেলডাঙ্গা, তোপসিয়া,রাজাবাজার,মেটিয়াবুরুজের মতো এলাকায় লকডাউন বা সোশ্যাল ডিসট্যান্স কোনওভাবেই মেনে চলা হয়নি। ইচ্ছামত রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে জামায়েত হয়েছে । এই রকম কঠিন পরিস্তিতিতে রাজ্য পুলিশ প্রশাসন কীভাবে নির্বিকার ছিল, সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে চিঠিতে। অন্যদিকে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার উদ্দেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা রেশন বিলির নামে ব্যাপক জমায়েতর সৃষ্টি  করছেন, তা একেবারেই সমর্থনযোগ্য নয় বলে আশঙ্কা করছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন, যে মুখ্যমন্ত্রী যেন গোটা বিষয়টি পর্যালোচনা করে নজরদারি বাড়াক এবং গোটা বিষয়টির ওপর কড়া পদক্ষেপ নিক। এদিকে, রাজস্থানের ভিলওয়াড়া মডেলের পথে হেঁটে গোটা রাজ্যকেই সিল করার কথা ভাবছে প্রশাসন।

ইতিমধ্যে  সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যের সাতটি জেলায়  ৯-১০টি জায়গা হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত করার কথা জানান মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা।যদিও তিনি নিজে মুখে কোনও জায়গার নাম উল্লেখ করেননি। তবে সূত্রের খবর দমদম, সল্টলেকের বেশ কিছু জায়গা, উত্তর ২৪ পরগনার বেশ কিছু অংশ হলদিয়া , কালিম্পং, পূর্ব মেদিনীপুরের ও হাওড়া সম্পূর্ণ লকডাউনের কথা ভাবা হচ্ছে। মুখ্যসচিব আরও জানান, হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত করে সূত্রের খবর রাজ্যের সাতটি জেলায় বেশ কিছু হটস্পট চিহ্নিত করা হয়েছে।নির্দিষ্ট ভাবে কোন এলাকা এই তালিকায় আসতে চলেছে, তা আগে থেকে বলা যাচ্ছে না।জরুরি পরিষেবা ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ছাড়া আর কেউ বা কোনও জিনিস সেই এলাকায় যাতে না ঢুকতে পারে, তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। তবেই একমাত্র করোনার ছড়িয়ে পড়া ঠেকানো যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। শুক্রবার রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা বলেন রাজ্যে কোনও আক্রান্তের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না। আতঙ্ক ও গুজব ছড়িয়ে পড়া রুখতেই এই সিদ্ধান্ত।

অন্যদিকে ভারতে গত 24 ঘন্টায় আক্রান্তের সংখ্যা 58 জন বেড়ে 8504 জন হয়েছে এবং মৃতের সংখ্যা 1 জন বেড়ে 289 জন, করোনা থেকে মুক্তি পেয়েছে 276 জন। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের আক্রান্তের সংখ্যা 110 এবং মৃতের সংখ্যা 5, করোনা মুক্ত হয়েছে 19 জন।

Categories
কলকাতা রাজ্য হোম

করোনা সংক্রামিত হটস্পটগুলিকে সিল করার জোরদার প্রস্তুতি নবান্নে

নবান্ন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রধান কার্যালয়

নিজস্ব প্রতিনিধি : – গত  25 মার্চ থেকে কেন্দীয় সরকারের নির্দেশে চলছে 21 দিনের লকডাউন। তার মধ্যে এবার রাজ্য সরকার কয়েকটি এলাকাকে হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত করে সম্পূর্ণ লোকডাউন ঘোষণা করতে চলেছে। শুক্রবার রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে এই কথা জানিয়েছে। ইতিমধ্যেই নবান্নে জোরকদমে  তার তোড়জোড শুরু করে দিয়েছে।

http://www.thekolkatanews.net/এবছর-দাদাসাহেব-ফালকে-পুর/




কোনও একটি নির্দিষ্ট এলাকায় করোনা সংক্রমণ বেশি হলে সেই জায়গাটি হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত করা হবে। জানা গিয়েছে, “যাতে সেখান থেকে কোনওভাবে সংক্রমণ দ্রুত ছড়াতে না পারে, তাই সেই এলাকাকে অন্য জায়গা থেকে কয়েকদিন এর জন্য সম্পূর্ণ লকডাউন করা হবে।তার ফলে ওই জায়গায় কেউ ঢুকতে পারবে না কিংবা সেখান থেকে কেউ বেরোতেও পারবেন না।খুব প্রয়োজনে কাউকে বেরোতে হলে এলাকায় ঢোকা কিংবা বেরনোর সময় করা হবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা। এছাড়াও ওই এলাকায় গত কয়েকদিনের মধ্যে কারা আসা যাওয়া করেছেন, তাঁদের একটি তালিকা তৈরি করা হবে। হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত এলাকায় বাড়ানো হবে স্বাস্থ্য পরীক্ষাও। কারও শরীরে কোনও উপসর্গ দেখা দিচ্ছে কি না, সেদিকেও নজরদারি চালানো হবে।”


সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যের ৯-১০টি জায়গা হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত করার কথা জানান মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা।যদিও তিনি নিজে মুখে কোনও জায়গার নাম উল্লেখ করেননি। তবে সূত্রের খবর দমদম, সল্টলেকের বেশ কিছু জায়গা, উত্তর ২৪ পরগনার বেশ কিছু অংশ হলদিয়া , কালিম্পং, পূর্ব মেদিনীপুরের ও হাওড়া সম্পূর্ণ লকডাউনের কথা ভাবা হচ্ছে। মুখ্যসচিব আরও জানান, হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত করে সম্পূর্ণ লকডাউন করা হলেও সাধারণ মানুষের  কোনও রকম সমস্যা হবে না। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে নানা পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার। যে এলাকাগুলিকে হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত করা হবে, সেই জায়গাগুলিতে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হবে নিত্য প্রয়োজনীয় দৈনন্দিন সামগ্রী এবং ওষুধপত্র। এমনকি প্রয়োজন হলে রান্না করা খাবার ও প্রয়োজনীয় স্থানে দিয়ে আসা হবে সরকারের তরফ থেকে।
কোনো ব্যাক্তি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে জরুরি কালীন চিকিৎসার সুব্যবস্থা করা হবে।

Categories
রাজ্য

SSC- র নবম এবং দশম নিয়াগ লিস্ট ভুল ধরে দিয়ে এক মাসের মধ্যে নতুন লিস্ট তৈরির নির্দেশ হাইকোর্টের.





## কলকাতা: এসএসসি-র নবম এবং দশমে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ভুল ৷ এসএসসি-কে সেই ভুল ধরিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট ৷

মামলাকারীকে 4 সপ্তাহের মধ্যে নিয়োগ করতে হবে ৷ মঙ্গলবার এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন সিঙ্গেল বেঞ্চের বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচা‍র্য ৷
তবে, সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করতে চলেছে এসএসসি ৷ সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যাওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসএসসি ৷

প্রসঙ্গত, একাধিক ইস্যুতে রাজ্যে এসএসসি জট অব্যাহত ৷ মামলাকারীদের অভিযোগ মেধা তালিকায় নাম ওঠা স্বত্ত্বেও মিলছে না চাকরি ৷ পশ্চিমবঙ্গ এসএসসি বোর্ডের দুর্নীতির বিরুদ্ধে  এবং নিজেদের চাকরির দাবিতে গত বৃহস্পতিবার থেকে এখনো পর্যন্ত 6 দিন ধরে মেয়োরোডে পাশে অনশনে বসেছেন চাকরিপ্রার্থীরা
আজ হাইকোর্টের রায়ে মামলাকারী তথা  অনশনকারী জন্য কিছুটা হলেও আশা যোগালো ৷
Categories
রাজ্য

রামমন্দির নিয়ে মমতাকে পাশে নিয়েই বিজেপিকে তুলোধনা করলেন আশ্রমের প্রধান মহন্ত

কপিল মুনির আশ্রমের প্রধান মহন্ত ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা


গঙ্গাসাগর,পশ্চিমবঙ্গ : লোকসভা ভোটের আগে একের পর এক হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলি বিজেপি আক্রমণ করেই চলেছে । একদিকে রামমন্দির নিয়ে বিশ্ব হিন্দু  পরিষদ হুঁশিয়ারি দিয়েই রেখেছে। অন্যদিকে চাপ বাড়াচ্ছে আরএসএসও। তবে এবার কি দেশজুড়ে  সাধু-সন্তরাও বিজেপির  থেকে  দূরে  সরছেন? প্রশ্ন রাজনৈতিক সমালোচকদের মুখ্যমন্ত্রীকে পাশে রেখে রামমন্দির নিয়ে বিজেপিকে বিঁধলেন কপিল মুনির আশ্রমের প্রধান মহন্ত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উচ্ছ্বসিত প্রশংসাতেও কী রইল বিজেপির জন্য  বার্তা? বলা হয়, রামমন্দির বিজেপির  সবচেয়ে কার্যকরী ভোট মেশিন। অভিযোগ, প্রতিবার ভোট  এলেই তাই রামমন্দির ইস্যুকে আঁকড়ে ধরে গেরুয়া শিবির। এবার তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে সেই অভিযোগ দেশের শীর্ষস্থানীয় এক সন্তের।  তাও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাশে দাঁড়  করিয়ে। পাঁচ রাজ্যের বিজেপির শোচনীয় ফলের কথা মনে  করিয়েও বিজেপিকে  মনে  করিয়ে  দিয়েছেন প্রধান মহন্ত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপরই ভরসা রাখারই  বার্তা দেন তিনি। গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি  খতিয়ে দেখতে কপিল মুনির আশ্রমে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তারই মধ্যে  সাধুসন্তদের তরফে বিজেপিকে নজিরবিহীন এই আক্রমণ। রাজ্যে সম্প্রীতি রক্ষাই তার অগ্রাধিকার বলেও প্রধান মহন্তকে জানান মুখ্যমন্ত্রী। সাধুসন্তদের মধ্যে কপিল মুনির আশ্রম প্রধান সন্তের অবস্থান বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। আর তাই আশ্রমের প্রধান মহন্তের বার্তা বিজেপির কাছে দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে 



https://amzn.to/2BVH9z7

Categories
রাজ্য

ইসলামপুরে দুই ছাত্রকে খুন করেছে বিজেপি-আরএসএস: মমতা

নিজস্ব প্রতিবেদন: পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ইসলামপুরের দাঁড়িভিট স্কুলে পুলিসের গুলিতে দুই ছাত্রের মৃত্যু হয়নি। তাদের খুন করেছে বিজেপি-আরএসএস। ইতালির  মিলান থেকে এমনটাই মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ‘দুই ছাত্রের পরিবারকে সমবেদনা জানাই। ঘটনাটি দুভার্গ্যজনক। আমার কাছে খবর আছে, পুলিসের ময়নাতদন্তের পর জানতে পেরেছি, এটা পুলিসের গুলি নয়’।
ইসলামপুরের দাঁড়িভিট স্কুলে উর্দু শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে গণ্ডগোলের সূত্রপাত। প্রাণ হারান দুই ছাত্র। এই ঘটনায় তোলপাড় গোটা রাজ্য। তবে ঘটনার সময়ে রাজ্যে নেই মুখ্যমন্ত্রী। বিনিয়োগ টানতে ইউরোপ সফরে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতালির মিলান থেকে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাত্কারে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বলেন,”বাইরে থেকে গুন্ডা ভাড়া করে নিয়ে এসে। মুখে গামছা বেঁধে বন্দুকের গুলি করে স্কুলে তাণ্ডব করেছে। দুই ছাত্র মারা গিয়েছে। এর দায় বিজেপি ও আরএসএস-কে নিতে হবে। প্রতিটি সভায় তাদের নেতারা উস্কানি দিচ্ছেন। ভাড়াটিয়া গুন্ডাদের নিয়ে আসছে ওরা”।
 ইসলামপুরে ছাত্রছাত্রীদের বিক্ষোভের নেপথ্যে

আরএসএসের যোগ রয়েছে বলে দাবি করেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেই একই সুরে এদিন তৃণমূল নেত্রীও এর পিছনে ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তাঁর কথায়, ”গোটা ব্যাপারটা পরিকল্পনামাফিক করেছে বিজেপি। মহরমের আগে দাঙ্গা লাগানোর ছক ছিল তাদের। দুই ছাত্রকে মেরে বনধ ডাকতে বসে গেল। কোথা থেকে বোম এল? ছাত্র মারা যাওয়ার জন্য বিজেপি ও আরএসএস দায়ী। কেন তারা দুই ছাত্রকে খুন করল? ছাত্রদের আমরা ভালবাসি। আমরা পরিবারের সঙ্গে আছি। এটা বিজেপির জঘন্য খেলা”। মমতার আরও দাবি, তিনি বাইরে থাকলে রাজ্যে গণ্ডগোল পাকায় বিজেপি-সিপিএম।