Categories
রাজ্য

রামমন্দির নিয়ে মমতাকে পাশে নিয়েই বিজেপিকে তুলোধনা করলেন আশ্রমের প্রধান মহন্ত

কপিল মুনির আশ্রমের প্রধান মহন্ত ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা


গঙ্গাসাগর,পশ্চিমবঙ্গ : লোকসভা ভোটের আগে একের পর এক হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলি বিজেপি আক্রমণ করেই চলেছে । একদিকে রামমন্দির নিয়ে বিশ্ব হিন্দু  পরিষদ হুঁশিয়ারি দিয়েই রেখেছে। অন্যদিকে চাপ বাড়াচ্ছে আরএসএসও। তবে এবার কি দেশজুড়ে  সাধু-সন্তরাও বিজেপির  থেকে  দূরে  সরছেন? প্রশ্ন রাজনৈতিক সমালোচকদের মুখ্যমন্ত্রীকে পাশে রেখে রামমন্দির নিয়ে বিজেপিকে বিঁধলেন কপিল মুনির আশ্রমের প্রধান মহন্ত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উচ্ছ্বসিত প্রশংসাতেও কী রইল বিজেপির জন্য  বার্তা? বলা হয়, রামমন্দির বিজেপির  সবচেয়ে কার্যকরী ভোট মেশিন। অভিযোগ, প্রতিবার ভোট  এলেই তাই রামমন্দির ইস্যুকে আঁকড়ে ধরে গেরুয়া শিবির। এবার তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে সেই অভিযোগ দেশের শীর্ষস্থানীয় এক সন্তের।  তাও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাশে দাঁড়  করিয়ে। পাঁচ রাজ্যের বিজেপির শোচনীয় ফলের কথা মনে  করিয়েও বিজেপিকে  মনে  করিয়ে  দিয়েছেন প্রধান মহন্ত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপরই ভরসা রাখারই  বার্তা দেন তিনি। গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি  খতিয়ে দেখতে কপিল মুনির আশ্রমে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তারই মধ্যে  সাধুসন্তদের তরফে বিজেপিকে নজিরবিহীন এই আক্রমণ। রাজ্যে সম্প্রীতি রক্ষাই তার অগ্রাধিকার বলেও প্রধান মহন্তকে জানান মুখ্যমন্ত্রী। সাধুসন্তদের মধ্যে কপিল মুনির আশ্রম প্রধান সন্তের অবস্থান বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। আর তাই আশ্রমের প্রধান মহন্তের বার্তা বিজেপির কাছে দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে 



https://amzn.to/2BVH9z7

Categories
দেশ

‘অব কি বার, হিন্দু সরকার’, স্লোগানে ঝড় প্রবীণ তোগাড়িয়ার

প্রবীণ তোগাড়িয়া

নয়াদিল্লি: রামমন্দির নির্মাণে সংসদে আইন তৈরির দাবি নিয়ে প্রথম থেকেই সরব প্রাক্তন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নেতা প্রবীণ তোগাড়িয়া৷ এবার তিনি নয়া স্লোগানে তুললেন ঝড়৷ বললেন, ‘অব কি বার, হিন্দু সরকার’৷

সূত্রের খবর, নয়া রাজনৈতিক দলের ঘোষণা করতে পারেন প্রবীণ এই নেতা৷ মন্দির না হলে ভোট নয়, এমনই হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, পরবর্তী সরকার হিন্দু সরকার হবে, সেই সরকার শপথ গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে মন্দির নির্মাণের বিষয়টিতেও নিশ্চয়তা দেবে৷ পাশাপাশি যুবকদের চাকরি, কৃষকদের ঋণ মকুব, এই বিষয়গুলিও দেখবে সেই সরকার৷

প্রসঙ্গত, গত মাসেই রামমন্দির ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি তোপ দেগেছিলেন তোগাড়িয়া৷ তাঁর মতে, রাম মন্দির ইস্যুকে সামনে রেখে ক্ষমতায় এসেছিল বিজেপি৷ অথচ ক্ষমতায় থাকার চার বছর কেটে গেলেও, কোনও পদক্ষেপই নেওয়া হয়নি সে ব্যাপারে৷

তিনি এও বলেছিলেন, রাম মন্দির ইস্যুতে বিজেপি দুমুখো নীতি নিয়ে চলছে৷ তিনি আরও বলেন বিজেপির ক্ষমতায় থাকার কোনও অধিকার নেই, যদি না তারা রাম মন্দির ইস্যু সমাধান করতে না পারে৷ রাম মন্দির তৈরি করাই বিজেপির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত৷

তাঁর নতুন দল অন্তঃরাষ্ট্রীয় হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে প্রবীণ তোগাড়িয়া বলেন রাম মন্দির তৈরির সমর্থনে কয়েকশো সমর্থক নিয়ে ২১শে অক্টোবর অযোধ্যায় মিছিল করবেন তিনি ও তাঁর দল৷ রাম মন্দির নিয়ে বিজেপির দ্বিচারি মনোভাবকে সামনে নিয়ে আসবে অন্তঃরাষ্ট্রীয় হিন্দু পরিষদ৷ তিনি আরও বলেন এই ইস্যু নিয়ে ছেলে খেলা করছে বিজেপি৷ বিষয়গুলিতে যথাযোগ্য গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না৷ এই বিষয়গুলি তাঁরা বরদাস্ত করবেন না বলেও জানান প্রবীণ তোগাড়িয়া৷

Categories
দেশ

ব্যাঙ্কের সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে এ বার গুজরাতের ব্যবসায়ী নাইজেরিয়ায় পলাতক

নিতিন সানদেসার 


নিজস্ব প্রতিনিধি : মোদী জামানায়  একের পর এক ব্যাংক দুর্নীতিতে নাজেহাল দেশবাসী । তার উপর ব্যাংক দূর্নীতির অভিযোগ উঠল মোদির খাসতালুক গুজরাট রাজ্যের এক ব্যাবসায়ী সংস্থার বিরুদ্ধে । বিজয় মালিয়া, ললিত মোদি, নীরব মোদি, মেহুল চোকসির পর এবার সামনে এল মোদি জমানার নয়া ব্যাংক জালিয়াতি। প্রায় ৫,৩৮৩ কোটি টাকার ঋণখেলাপির অভিযোগ উঠল গুজরাটের ব্যাবসায়ী নীতীন সনদেসারা এবং তাঁর পরিবারের  বিরুদ্ধে। গুজরাটের ভদোদারার স্টারলিং বায়োটেক নামে একটি সংস্থার মাধ্যমে প্রায় ৫,৩৮৩ হাজার কোটির জালিয়াতি করার অভিযোগ রয়েছে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সনদেসারা ইতিমধ্যেই ই
ডি এবং সিবিআইয়ের ওয়ান্টেডের তালিকায় আছেন।

সিবিআইয়ের তরফে স্টারলিং বায়োটেকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে, ওই সংস্থার ডিরেক্টর নীতীন সনদেসারা, চেতন সনদেসারা, দীপ্তিবেন সনদেসারা, রাজভূষণ ওমপ্রকাশ দীক্ষিত, বিলাস যোশী, হেমন্ত হাথি এবং অনুপ গার্গের বিরুদ্ধে। এদের মধ্যে গার্গকে গ্রেপ্তার করা গিয়েছে। কিন্তু মূল তিন অভিযুক্ত ইতিমধ্যেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছে। এই সংস্থাটির মোট প্রায় ৩০০টি শাখা এবং বেনামি সংস্থা খুলে মোট প্রায় ৫,৩৮৩ হাজার টাকার প্রতারণা করেছে বলে অভিযোগ। কোম্পানির বার্ষিক হিসেবেও ইচ্ছেমতো গড়মিল করা হয়েছে। গুজরাট সরকার ও প্রশাসন সরাসরি এই কেলেঙ্কারির সাথে জড়িত বলে বিরোধীরা দাবি করেছেন । 

রবিবার খবর ছড়িয়ে পড়ে নীতীন সনদেসারা এবং তাঁর ভাই চেতন সনদেসারা, ভাইয়ের বউ দীপ্তিবেন সনদেসারা সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে ধরা পড়েছেন। সেই মতো ভারতের তরফে ওই ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করার জন্য ভারতের তরফে আমিরশাহীর কাছে আবেদন করারও প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছিলেন ভারতীয় আধিকারিকরা। কিন্তু, এরই মধ্যে জানা যায় সনদেসারাদের আমিরশাহিতে ধরা পড়েননি। নাইজেরিয়ায় পালিয়ে গিয়েছেন। তাৎপর্যপূর্ণভাবে নাইজেরিয়ার সঙ্গে ভারতের কোনও প্রত্যার্পণ চুক্তি নেই। তাই এই ফেরার ব্যবসায়ীদের দেশে ফেরানো বেশ কঠিন কাজ হবে । একের পর এক ব্যাংক দুর্নীতির অভিযোগে এমনিতেই চাপে মোদি সরকার। এর মধ্যে আবার নতুন অভিযোগ, তাও মোদির নিজের রাজ্যের ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। নতুন ব্যাংক দুর্নীতির অভিযোগ রীতিমতো মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠতে পারে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। তবে সকলের লক্ষ্য পরবর্তী সময়ে মোদী সরকার ঋণখেলাপিদেরদেশে ফেরানোরজন্য কি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন  
Categories
রাজ্য

ইসলামপুরে দুই ছাত্রকে খুন করেছে বিজেপি-আরএসএস: মমতা

নিজস্ব প্রতিবেদন: পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ইসলামপুরের দাঁড়িভিট স্কুলে পুলিসের গুলিতে দুই ছাত্রের মৃত্যু হয়নি। তাদের খুন করেছে বিজেপি-আরএসএস। ইতালির  মিলান থেকে এমনটাই মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ‘দুই ছাত্রের পরিবারকে সমবেদনা জানাই। ঘটনাটি দুভার্গ্যজনক। আমার কাছে খবর আছে, পুলিসের ময়নাতদন্তের পর জানতে পেরেছি, এটা পুলিসের গুলি নয়’।
ইসলামপুরের দাঁড়িভিট স্কুলে উর্দু শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে গণ্ডগোলের সূত্রপাত। প্রাণ হারান দুই ছাত্র। এই ঘটনায় তোলপাড় গোটা রাজ্য। তবে ঘটনার সময়ে রাজ্যে নেই মুখ্যমন্ত্রী। বিনিয়োগ টানতে ইউরোপ সফরে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতালির মিলান থেকে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাত্কারে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বলেন,”বাইরে থেকে গুন্ডা ভাড়া করে নিয়ে এসে। মুখে গামছা বেঁধে বন্দুকের গুলি করে স্কুলে তাণ্ডব করেছে। দুই ছাত্র মারা গিয়েছে। এর দায় বিজেপি ও আরএসএস-কে নিতে হবে। প্রতিটি সভায় তাদের নেতারা উস্কানি দিচ্ছেন। ভাড়াটিয়া গুন্ডাদের নিয়ে আসছে ওরা”।
 ইসলামপুরে ছাত্রছাত্রীদের বিক্ষোভের নেপথ্যে

আরএসএসের যোগ রয়েছে বলে দাবি করেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেই একই সুরে এদিন তৃণমূল নেত্রীও এর পিছনে ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তাঁর কথায়, ”গোটা ব্যাপারটা পরিকল্পনামাফিক করেছে বিজেপি। মহরমের আগে দাঙ্গা লাগানোর ছক ছিল তাদের। দুই ছাত্রকে মেরে বনধ ডাকতে বসে গেল। কোথা থেকে বোম এল? ছাত্র মারা যাওয়ার জন্য বিজেপি ও আরএসএস দায়ী। কেন তারা দুই ছাত্রকে খুন করল? ছাত্রদের আমরা ভালবাসি। আমরা পরিবারের সঙ্গে আছি। এটা বিজেপির জঘন্য খেলা”। মমতার আরও দাবি, তিনি বাইরে থাকলে রাজ্যে গণ্ডগোল পাকায় বিজেপি-সিপিএম।